ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘স্নাতক’ নির্ধারণের প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। প্রার্থীর এই যোগ্যতা নির্ধারণের স্পষ্ট নির্দেশনা কেন দেওয়া হবে না এবং শিক্ষাগত মানদণ্ড উল্লেখ না থাকা বিদ্যমান স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইনের ২৬ ধারা কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চাওয়া হয়েছে ওই রুলে।
সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবীর করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের বেঞ্চ মঙ্গলবার এ রুল জারি করে।
এলজিআরডি সচিব, আইন সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে এই রিট আবেদন দায়ের করেন আইনজীবী কাজী ফেরদাউসুল হাসান ও মো. তানভীর আহমেদ খান।
ফেরদাউসুল হাসান বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, “একজন চেয়ারম্যানকে নানান ধরনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে গ্রাম আদালত পরিচালনা করার ক্ষমতা। সেখানে তিন লাখ টাকার মামলা তিনি পরিচালনা করতে পারেন। অথচ এই ক্ষমতা যে ম্যাজিস্ট্রেটের রয়েছে, তাকে আইনে স্নাতক সম্পন্ন করে বিজেএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়।”
আইনটিতে চেয়ারম্যানের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত না থাকার প্রসঙ্গ টেনে এই আইনজীবী বলেন, “এখানে চেয়ারম্যানের কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে না। তাই স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ এ চেয়ারম্যানের যোগ্যতা সংক্রান্ত ২৬ ধারা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আমরা চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক চেয়েছি।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









