সময়ের হিসাব বড়ই অদ্ভুত। কখনো মনে হয় এই তো সেদিনের কথা, আবার কখনো মনে হয় পেরিয়ে গেছে এক যুগ। চব্বিশের জুলাই-আগস্টের সেই রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থান, ছাত্র-জনতার অকাতর আত্মত্যাগ এবং দেড় দশকের এক শ্বাসরুদ্ধকর স্বৈরশাসনের পতনের পর বাংলাদেশ নতুন এক ভোরের স্বপ্ন দেখেছিল। সেই স্বপ্নের হাত ধরে প্রায় দুই দশক পর রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব কাঁধে নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকারের বয়স দেখতে দেখতে ১৮০ দিন অর্থাৎ ছয় মাস পূর্ণ হলো। এরইমধ্যে সংসদ সদস্যদের ভোটে দেশের ২৩তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন দশকের ইতিহাসে এবারই প্রথম তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন প্রত্যক্ষ করল সংসদ ও জনগণ।
একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত বা লুণ্ঠিত রাষ্ট্রকাঠামোকে সারিয়ে তুলতে ছয় মাস হয়তো খুব বড় কোনো সময় নয়। কিন্তু একটি নতুন সরকার কোন পথে হাঁটতে চায়, তাদের রাজনৈতিক দর্শন কতটা জনবান্ধব এবং তারা আসলেই পুরোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতির খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসতে পেরেছে কি না—তার একটি প্রাথমিক রূপরেখা বা ‘ট্রেন্ড’ বোঝার জন্য এই ১৮০ দিন যথেষ্ট।
গত ছয় মাসের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃশ্যপট যদি আমরা নির্মোহভাবে বিশ্লেষণ করি, তবে সাধারণ মানুষের মনের ভেতরে একটি আক্ষেপের সুর খুব স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সবার মনে একটিই প্রশ্ন—সত্যিই কি রাজনীতির গুণগত কোনো পরিবর্তন হয়েছে? নাকি কেবল মঞ্চের কুশীলব বা চরিত্রগুলোর বদল ঘটেছে, আর পেছনের সেই আধিপত্যবাদ, দখলদারিত্ব ও অসহিষ্ণুতার পুরোনো চিত্রনাট্যটাই নতুন করে মঞ্চস্থ হচ্ছে?
বিগত সরকারের দেড় দশকের শাসনামলে আমরা দেখেছি, রাজনৈতিক ভিন্নমতকে কীভাবে নির্মমভাবে দমন করা হতো। সবচেয়ে বড় অস্ত্র ছিল ‘ট্যাগিং’ বা তকমা দেওয়া। কেউ সরকারের সামান্য সমালোচনা করলেই তাকে অবলীলায় ‘রাজাকার’, ‘জঙ্গি’ বা ‘উন্নয়নবিরোধী’ তকমা দিয়ে দেওয়া হতো। রাষ্ট্রযন্ত্রের শীর্ষ পর্যায় থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার পাতি নেতারাও একই ভাষায় কথা বলতেন। আশা করা হয়েছিল, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে এই অসহিষ্ণু ভাষার অবসান ঘটবে। কিন্তু বাস্তবে কী দেখছি আমরা?
শব্দের হয়তো পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু আক্রমণের তীব্রতা বা মানসিকতার কোনো বদল হয়নি। এখন কারো মতের সঙ্গে না মিললেই তাকে ‘ফ্যাসিস্টের দোসর’, ‘স্বৈরাচারের দালাল’ বা ‘ভারতীয় চর’ বলে ট্যাগ দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গেলেই দেখা যায়, চরম অসহিষ্ণুতার এক নতুন রাজত্ব তৈরি হয়েছে। যুক্তির বদলে ব্যক্তিগত আক্রমণ, গালিগালাজ আর চরিত্রহননই যেন এখন রাজনীতির প্রধান হাতিয়ার। ক্ষমতার পালাবদল হলেও, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে সম্মান করার যে ন্যূনতম শিষ্টাচার, তার দেখা এখনো মিলছে না।
আওয়ামী লীগ তাদের শাসনামলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে একটি রাজনৈতিক ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছিল। দেশের যেকোনো যৌক্তিক আন্দোলন বা সাধারণ মানুষের দাবিদাওয়াকে তারা এই ‘চেতনা’র দোহাই দিয়ে নস্যাৎ করত। তারা এমন একটি বয়ান তৈরি করেছিল যেন, তারাই একমাত্র মুক্তিযুদ্ধের সোল এজেন্ট। এখন সেই জায়গাটি দখল করতে চাইছে ‘জুলাই চেতনা’।
গণঅভ্যুত্থানের পর শহীদদের রক্তের দাগ শুকাতে না শুকাতেই এই অভ্যুত্থানের একক ‘মালিকানা’ বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ হওয়ার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে রীতিমতো কাড়াকাড়ি শুরু হয়েছে। কেউ বলছে তারাই এই আন্দোলনের রূপকার, কেউবা একক কৃতিত্ব নিতে চাইছে নিজেদের দলের নামে। শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি না করার প্রতিশ্রুতি সবাই দিচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু দিন শেষে এই গণঅভ্যুত্থানকে নিজেদের দলীয় স্বার্থে, ভোটব্যাংক ভারী করার কাজে ব্যবহার করার এক সুস্পষ্ট প্রবণতা দৃশ্যমান। অর্থাৎ, চেতনা বিক্রির যে রাজনীতি আমরা ১৫ বছর দেখেছি, এখন কেবল চেতনার নামটা বদলেছে, ব্যবসার ধরনটা একই রয়ে গেছে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় ইঞ্জিন ছিল দেশের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা রাজপথে নেমেছিল বৈষম্যহীন এক সমাজের স্বপ্নে, যেখানে ক্যাম্পাসে কোনো দলীয় লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠনের ত্রাস থাকবে না। বিগত বছরগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আবাসিক হলগুলোতে ছাত্রলীগের একচেটিয়া দখলদারিত্ব, গেস্টরুম নির্যাতন, আর জোর করে মিছিলে নেওয়ার সংস্কৃতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল।
এখন ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ নেই। কিন্তু হলের সিট দখল আর আধিপত্য বিস্তারের সেই নোংরা সংস্কৃতি কি বন্ধ হয়েছে? মোটেও না। শূন্যস্থান পূরণের জন্য এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। হলগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়াকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসাসহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া আর মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে দেখছে, একদল দখলদারের বিদায়ের পর নতুন আরেক দল দখলদার এসে হলের দখল নিচ্ছে। চরিত্রের বদল হয়েছে, কিন্তু পেশিশক্তির চিত্রনাট্য সেই আগের মতোই।
সাধারণ মানুষ রাজনীতির এত মারপ্যাঁচ বোঝে না, তারা বোঝে পেটের তাগিদ। নতুন সরকারের কাছে মানুষের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা ছিল বাজারে স্বস্তি ফিরবে। বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, ব্যাংক খাতের লুটপাট আর পাহাড়সম ঋণের বোঝা নতুন সরকারের জন্য বিরাট চ্যালেঞ্জ—এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। সরকার হয়তো প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের চেষ্টা করছে, বাংলাদেশ ব্যাংককে ঢেলে সাজাচ্ছে, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে এসেছে বলে পরিসংখ্যান দিচ্ছে। কিন্তু দিন শেষে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ যখন বাজারে যায়, তখন তার নাভিশ্বাস ওঠে। সিন্ডিকেট ভাঙার কথা বারবার বলা হলেও ডিম, সবজি বা নিত্যপণ্যের দামে আগুন।
এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গ্যাস ও বিদ্যুতের তীব্র সংকট। মধ্যরাতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ে জনজীবন অতিষ্ঠ। শিল্পের চাকা ঘুরছে না, কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। আবার এর মধ্যেই অনেকের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে অস্বাভাবিক ‘ভৌতিক’ বিদ্যুৎ বিল। সরকার বলছে এগুলো বিশ্ব পরিস্থিতির প্রভাব, এলএনজি টার্মিনালের ত্রুটি বা আগের সরকারের রেখে যাওয়া ভূত। এই যুক্তিগুলো হয়তো মিথ্যে নয়, কিন্তু সাধারণ মানুষ এই একই অজুহাত তো আগের সরকারের আমলেও শুনেছে! তাহলে নতুন সরকারের ‘ম্যাজিক’ কোথায়? মানুষ তো সমাধান চায়, অজুহাত নয়।
যেকোনো গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রধান ভিত্তি হলো আইনের শাসন। কিন্তু গত ছয় মাসে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান কোনো উন্নতি হয়নি। বরং ‘মব জাস্টিস’ বা গণপিটুনির মতো জঘন্য অপরাধ সমাজে এক ধরনের ভীতির সঞ্চার করেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে পিটিয়ে মানুষ মারার মতো ঘটনা ঘটেছে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইয়ের পরিসংখ্যান এখনো উদ্বেগজনক।
এর পাশাপাশি প্রশাসনে চলছে ব্যাপক রদবদল। আগের সরকারের আমলের ‘সুবিধাভোগীদের’ সরিয়ে নতুন লোক বসানো হচ্ছে। অনেককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে, কাউকে ওএসডি করা হচ্ছে। বিগত সরকারের আমলে পদোন্নতিবঞ্চিতদের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়াটা যৌক্তিক। কিন্তু মেধা ও যোগ্যতার বদলে যদি এখন নতুন করে কেবল দলীয় আনুগত্যকেই পদায়নের মাপকাঠি করা হয়, তবে তা হবে আরেক ধরনের স্বৈরতন্ত্রের সূচনা। প্রশাসনে দলবাজি বন্ধ করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার ছিটেফোঁটাও কি বাস্তবায়িত হচ্ছে? নাকি কেবল এক দলের সুবিধাভোগীদের সরিয়ে আরেক দলের সুবিধাভোগীদের চেয়ারে বসানো হচ্ছে?
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে সরকারের কিছু দৃশ্যমান অর্জন রয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের নির্বাচিত হওয়া, প্রধানমন্ত্রীর চীন ও মালয়েশিয়া সফর—এগুলোকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। কিন্তু ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন এখনো কাটেনি। গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফেরত চাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা প্রশংসনীয়। কিন্তু ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারত, চীন ও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ভারসাম্য বজায় রেখে একটি স্বাধীন ও মর্যাদাপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি কতটা টেকসই করা যাবে, তা এখনো বড় একটি প্রশ্নবোধক চিহ্ন হয়ে আছে।
অবশ্যই মুদ্রার উল্টো পিঠও আছে। সরকারের মুখপত্র বা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-উপদেষ্টাদের দাবিগুলোকে একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তারা বলছেন, এই ছয় মাসে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দেখিয়েছে। কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বা প্রবাসীদের জন্য নেওয়া উদ্যোগগুলো নিঃসন্দেহে জনবান্ধব। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের আটকে থাকা পাওনা মেটানোর জন্য হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া, ভিআইপি সংস্কৃতির লাগাম টানা, পাঠ্যক্রমে যুগোপযোগী পরিবর্তন আনা কিংবা খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের মতো কর্মসূচিগুলো সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। ঈদের সময় শ্রমিক অসন্তোষ না হওয়াটাও একটি বড় স্বস্তির বিষয়।
সবচেয়ে বড় কথা, সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমান নিজে ভিআইপি প্রটোকল এড়িয়ে সাধারণ মানুষের কাতারে নামার যে চেষ্টা করছেন, তা রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা। সরকার এটাও দাবি করছে যে, তারা নাগরিকদের সর্বোচ্চ বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে।
সরকারের এসব ভালো উদ্যোগ সত্ত্বেও প্রশ্ন থেকে যায়, এগুলো কি আসলেই রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কার, নাকি কেবল ভালো প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা? চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান শুধু একটি সরকারের পতনের জন্য হয়নি, হয়েছিল একটি বৈষম্যহীন নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য। বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা, পুলিশ সংস্কার, দুর্নীতি দমন কমিশনের মতো সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বাধীন করা—এসব গভীর ও কাঠামোগত সংস্কারের গতি অত্যন্ত ধীর। গণভোটের রায় বা জুলাই সনদের মতো বিষয়গুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐকমত্যের অভাব দেখা যাচ্ছে, তা ভবিষ্যতে বড় ধরনের রাজনৈতিক সংকটের জন্ম দিতে পারে।
পরিশেষে বলতে হয়, ১৬ বছরের একটি ফ্যাসিবাদী কাঠামোর ধ্বংসস্তূপ থেকে রাতারাতি একটি আদর্শ রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব নয়। দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে এই সরকারের ওপর মানুষের যেমন ভরসা আছে, তেমনি আছে রাজ্যের ক্ষোভ আর অভিমান। কারণ, মানুষ পরিবর্তন দেখতে চায়। শুধু মুখের কথায় নয়, কাজে।
নতুন সরকার যদি মনে করে যে, তারা আগের সরকারের মতোই পেশিশক্তি, দলবাজি আর বিরোধীদের ট্যাগ দিয়ে দেশ চালাবে, তবে তারা বোকার স্বর্গে বাস করছে। এই দেশের মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। তারা রক্ত দিতে শিখেছে, তারা অধিকার আদায় করতে শিখেছে। রাজনৈতিক দলগুলোকে বুঝতে হবে, কেবল পুরোনো সিস্টেমের ভেতরে নতুন লোক বসিয়ে দিলে আর যাই হোক, কাঙ্ক্ষিত ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়ে উঠবে না। চরিত্রের বদলের পাশাপাশি, এবার চিত্রনাট্যটাও বদলাতে হবে। তা না হলে ইতিহাসের নির্মম পুনরাবৃত্তি ঠেকানো কারো পক্ষেই সম্ভব হবে না।
লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









