বর্তমান বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)। একসময় যা কেবল সায়েন্স ফিকশন সিনেমার গল্প ছিল, তা এখন আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চ্যাটবট থেকে শুরু করে স্বয়ংক্রিয় গাড়ি প্রযুক্তির এই জয়যাত্রা যেমন মানুষের কাজ সহজ করছে, তেমনি তৈরি করছে নতুন এক চ্যালেঞ্জ।
সাম্প্রতিক এক বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের প্রায় ৩০ শতাংশ বর্তমান কর্মসংস্থান এআই দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে। বিশেষ করে ডেটা এন্ট্রি, কাস্টমার সাপোর্ট এবং সাধারণ হিসাবরক্ষণের মতো কাজগুলো এখন সফটওয়্যারের মাধ্যমেই নির্ভুলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবর্তন মানেই কর্মসংস্থান হারানো নয়, বরং কাজের ধরন বদলে যাওয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ইনস্টিটিউটের একজন অধ্যাপক বলেন, “আমরা এখন এমন এক যুগে প্রবেশ করছি যেখানে মেশিনের সাথে পাল্লা দেওয়া নয়, বরং মেশিনকে ব্যবহার করার দক্ষতা অর্জনই হবে টিকে থাকার চাবিকাঠি।”
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআই যেমন কিছু পুরনো পেশাকে বিলুপ্ত করছে, তেমনি সৃষ্টি করছে নতুন নতুন ক্ষেত্র।
এআই প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ার: যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঠিকভাবে নির্দেশনা দিতে পারেন।
ডেটা সায়েন্টিস্ট: বড় বড় তথ্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সম্ভাবনা খুঁজে বের করা যাদের কাজ।
সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্ট: প্রযুক্তি যত বাড়ছে, ডিজিটাল নিরাপত্তার ঝুঁকিও তত বাড়ছে।
পরিবর্তিত এই পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের দাবি তুলছেন সংশ্লিষ্টরা। কেবল পুথিগত বিদ্যা নয়, বরং ‘প্রবলেম সলভিং’ এবং ‘ক্রিয়েটিভ থিংকিং’-এর ওপর জোর দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন নীতিনির্ধারকরা।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









