মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে লড়াই করার মতো সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮৬ রান করেছে সফরকারীরা।
ইনিংসের শুরুতে দুই ওপেনারই বেশ কয়েকবার ভাগ্যের সহায়তা পান। বিশেষ করে সাইফ হাসান একের পর এক জীবন পেয়ে ইনিংস বড় করার সুযোগ কাজে লাগান। জিম্বাবুয়ের ফিল্ডারদের একাধিক ক্যাচ মিস হাতছাড়া করার সুযোগে উদ্বোধনী জুটিই বাংলাদেশকে শক্ত ভিত এনে দেয়। ধীরগতিতে শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে রান তোলার গতি বাড়িয়ে তারা শতরানের জুটি গড়ে দলকে সুবিধাজনক অবস্থানে নিয়ে যান।
তবে সেই অবস্থান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। সিকান্দার রাজার আঘাতেই ভাঙে উদ্বোধনী জুটি, আর সেখান থেকেই শুরু হয় ব্যাটিং ধস। মাত্র ১৩ বলের ব্যবধানে ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় সফরকারীরা। নিশ্চিতভাবে ২০০ ছোঁয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও হঠাৎ উইকেট হারানোর মিছিলে সেই আশা অনেকটাই ফিকে হয়ে যায়।
কঠিন সেই পরিস্থিতিতে ইনিংসের হাল ধরেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। শেষদিকে ইয়াসির আলীকে সঙ্গে নিয়ে দ্রুত রান তুলে বাংলাদেশের স্কোর আবারও এগিয়ে নেন তিনি। ইয়াসির মাত্র ১২ বলে ২২ রানের কার্যকর ক্যামিও খেলেন, যা শেষদিকে রান তোলার গতি বাড়াতে বড় ভূমিকা রাখে। তাছাড়া ওপেনার সাইফ হাসান ৪৫ বলে ৫৫ এবং তানজিদ হাসান তামিম ৪৪ বলে ৫৮ করেন।
তবে ইনিংসের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল শেষ ওভার। ব্র্যাড ইভান্সকে টানা চার বলে ৪টি ছক্কা হাঁকিয়ে রীতিমতো ঝড় তোলেন সাইফউদ্দিন। এই কীর্তিতে তিনি বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে টানা চার বলে চার ছক্কা মারার রেকর্ড গড়েন। একই সঙ্গে এক ওভারে বাংলাদেশের বিপক্ষে সর্বোচ্চ ছক্কা হজমের অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও নিজের নামে লেখান ইভান্স।
একসময় যে ইনিংস ধসের কারণে প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম রানে থেমে যেতে পারত, সেটিই শেষ ওভারের বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ে ১৮৬ রানে পৌঁছে যায়। এখন এই সংগ্রহকে জয়ে রূপ দিতে বোলারদের দিকেই তাকিয়ে থাকবে বাংলাদেশ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









