নতুন মৌসুম, পুরোনো গল্প। লুইস এনরিকের পিএসজি আবারও দেখিয়ে দিল, কেন ইউরোপের ফুটবলে তাদের থামানো এত কঠিন। সালজবুর্গের রেড বুল অ্যারেনায় অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপিয়ান সুপার কাপ জিতে নিল প্যারিসের ক্লাবটি।
শুরুটা অবশ্য খুব একটা জমেনি। দুই দলের খেলোয়াড়দেরই ম্যাচের ছন্দ খুঁজে পেতে সময় লাগছিল। তবে ২০ মিনিটে পিএসজির হাই প্রেসের সুফল মেলে। বল দখল করে খভিচা কাভারাটস্কেলিয়া ডান পায়ে দুর্দান্ত শটে মার্কো বিজোতকে পরাস্ত করেন। পিএসজি এগিয়ে যায়।
গোল হজমের পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে থাকে ভিলা। জন ম্যাকগিন, বুয়েন্দিয়া এবং তরুণ ব্রায়ান মাদজো একের পর এক আক্রমণে প্যারিসের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখেন। মাদজো প্রথমে হেডে অল্পের জন্য গোল পাননি, পরে পোস্টেও বল মেরেছিলেন। শেষ পর্যন্ত বিরতির ঠিক আগে ম্যাকগিনের নিখুঁত ক্রস থেকে বাঁ পায়ের ভলিতে সমতা ফেরান মাদজো।

দ্বিতীয়ার্ধে এনরিকে ওসমান দেম্বেলেকে মাঠে নামান। পিএসজি তখন আবার নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে। ৬০ মিনিটের পর দেজিরে দুয়ে ভিলার রক্ষণ ভেঙে ঢুকে বাঁ পায়ের নিখুঁত ফিনিশে গোল করেন। অফসাইডের সন্দেহ থাকলেও ভিএআর পর্যালোচনার পর গোলটি বৈধ ঘোষণা করা হয়।
শেষ দিকে ভিলা মরিয়া হয়ে আক্রমণে ওঠে। একাধিক পরিবর্তন এনে উনাই এমেরি দলকে নতুন গতি দেন। কিন্তু পিএসজির রক্ষণ আর ভাঙেনি।
এখানেই এনরিকের দলের বড় শক্তি—তারা শুধু ভালো ফুটবল খেলে না, জয়ের মুহূর্তগুলোও সামলাতে জানে। আরেকটি ট্রফি যোগ হলো পিএসজির ইতিহাসে। ইউরোপ এখন প্রশ্ন করছে, এই জয়ের ধারা থামাবে কে?


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









