ডারউইন টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করেছে সফরকারী বাংলাদেশ। ১ উইকেটে ৯৬ রান নিয়ে দিন শুরু করা টাইগাররা দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ করেছে ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে। তরুণ ওপেনারের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি এবং টপ-অর্ডার ব্যাটারদের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ইতোমধ্যেই ১৫৩ রানের গুরুত্বপূর্ণ লিড তুলে নিয়েছে সফরকারীরা।
অস্ট্রেলিয়ার ম্যাচে ফেরার চেষ্টা আটকে দিয়েছেন মিরাজ ও হাসান। সপ্তম উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রানের জুটি গড়েছেন। খেলেছেন ১৪৭ বল। স্টার্কদের হতাশ করে দিন শেষ করেছেন।
৭৩ বলে ৩২ রানে অপরাজিত মিরাজ, ৭৬ বলে ১৩ রানে হাসান। এর আগে টেস্টে নিজের প্রথম সেঞ্চুরি তুলেছেন তানজিদ। নাজমুল আউট হয়েছেন ৮৪ রান করে। মুমিনুল করেছেন ৪৯ রান। এই তিন ইনিংসেই মূলত বাংলাদেশ এখন সুবিধাজনক অবস্থানে।
দিনের শেষ সেশনের শুরুতেই নতুন বল নেয় অজিরা। আর নতুন বলই যেন কাল হয়ে দাঁড়ায় শান্তর জন্য। সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন তিনি। কিন্তু জশ হ্যাজলউডের বলে ৮৪ রানে আউট হয়েছেন দ্বিতীয় স্লিপে ক্যাচ দিয়ে। তাতে ভেঙেছে মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে তাঁর ৬৬ রানের জুটি।
এদিকে শান্ত ফেরার পর ক্রিজে মুশফিকের সঙ্গী হন লিটন দাস। কিন্তু লিটন আউট হয়েছে রানের খাতা খোলার আগেই। ১২ বল খেলে ০ রানে আউট হন তিনি। মিচেল স্টার্কের বলে স্টিভ স্মিথের তালুবন্দী হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। ২৯৭ রানে শান্ত আউট হওয়ার পর ৩০৬ রানে আউট হন লিটন।
এদিকে দ্রুত মিডল অর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন বিপাকে তখন আউট হন মুশফিকও। প্যাট কামিন্সের বলে স্লিপে তিনিও স্মিথের হাতেই ধরা পড়েন। ফেরার আগে ৫৫ হলে ৩৬ রান করেন তিনি। মুশফিক আউট হন দলীয় ৩০৮ রানে। সব মিলিয়ে ১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।
তবে দলকে বিপদ থেকে উদ্ধার করে মিরাজ-হাসান জুটি। বল আহতে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান ব্যাট হাতেও গড়েন প্রতিরোধ। মিরাজের সঙ্গে জুটি গড়ে অজিদের প্রচেষ্টা রুখে দেন তিনি। দ্বিতীয় দিনের শেষ পর্যন্ত তিনি অপরাজিত ছিলেন ৭৬ বলে ১৩ রান করে। অন্যদিকে মিরাজ রান বাড়িয়েছেন স্কোরবোর্ডে ৭৩ বলে ৩২ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









