দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর পর জাতীয় দলের টি-টোয়েন্টি জার্সিতে ফিরছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এশিয়ান গেমসের পূর্ণাঙ্গ শক্তির বাংলাদেশ দলেও জায়গা পেয়েছেন তিনি। তবে তার দলে ফেরাকে ঘিরে রয়েছে নানা আলোচনা।
সাবেক অধিনায়ক খালেদ মাহমুদ সুজন অবশ্য শান্তর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও সামর্থ্য বিবেচনায় তাকে দলে ফেরানোর সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন।
শান্তর ব্যাটিং নিয়ে সুজন বলেন, ‘‘আমার মনে হয়, শান্ত যেবার বিপিএলে খুলনার হয়ে ১০০ করেছিল, তখন থেকেই শান্তর স্ট্রাইক রেট আর গড় খুব একটা খারাপ নয়।’’
টি-টোয়েন্টিতে প্রতিদিন রান করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, মূল বিষয় হলো যেদিন একজন খেলোয়াড় ব্যাটিং করবেন, সেদিন তিনি দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে পারছেন কি না। আর সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
শান্তর সামর্থ্য নিয়ে কোনো ঘাটতি দেখছেন না সুজন। তার ভাষায়, শান্ত এখন যথেষ্ট অভিজ্ঞ এবং টি-টোয়েন্টিতে ভালো করার মতো একজন ক্রিকেটার। বড় শট খেলা ও দ্রুত রান তোলার সক্ষমতার পাশাপাশি ফিটনেসের দিক থেকেও তিনি দলের অন্যতম সেরা।
তবে দলে ফেরার পর নিজের সামর্থ্যের প্রতিফলন মাঠে দেখানোর দায়িত্ব শান্তরই বলে মনে করেন সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘‘সত্যি কথা বলতে গেলে, এটা ওকেও ডেলিভার করতে হবে।’’
এদিকে শান্তর নেতৃত্বে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক টেস্ট জয় তার আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন সুজন। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি ভিন্ন ফরম্যাট হলেও বড় দলের বিপক্ষে এমন জয় খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দেয় বলে তার মত।
সুজন বলেন, ‘‘নেতা হিসেবে শান্ত টেস্ট জিতেছে। এটা অবশ্য অন্য ফরম্যাট, তারপরও আত্মবিশ্বাসের ব্যাপারটা তো থাকবেই। অস্ট্রেলিয়ার মতো বড় দলকে তাদের মাটিতে হারিয়ে এসেছে। দলে আত্মবিশ্বাস থাকবে।’’
তার মতে, অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলকে তাদের মাটিতে হারানোর অভিজ্ঞতা শান্তর পাশাপাশি পুরো দলের আত্মবিশ্বাসও বাড়িয়েছে। তাই টি-টোয়েন্টি দলে শান্তকে ফেরানোর সিদ্ধান্তকে ভালো বলেই মনে করছেন তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









