চার দিন আগে ক্যাম্পেওনস কাপের ফাইনালে ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে দারুণ জয়ে ছন্দে ফেরার আভাস দিয়েছিল ইন্টার মায়ামি। সেই ম্যাচে গোল করেছিলেন লিওনেল মেসি। এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে ফিরেও গোল পেয়েছেন তিনি, তবে লিগে মায়ামির জয়খরা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার ম্যাচে।
স্যান ডিয়েগোর বিপক্ষে ঘরের মাঠ নু স্টেডিয়ামে মেসির ফ্রি কিকের গোলে সমতায় ফেরার পর লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় মায়ামি। কিন্তু ড্যানিশ ফরোয়ার্ড অ্যান্ডার্স ড্রেয়ারের জোড়া গোলে শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলে ড্র করে ফ্লোরিডার দলটি।
১২ মিনিটে ড্রেয়ার মায়ামির গোলরক্ষক ডেইন সেন্ট ক্লেয়ারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়িয়ে স্যান ডিয়েগোকে এগিয়ে দেন। এরপর ডিয়েগোর শেষ তৃতীয়াংশে ও বল দখলে দীর্ঘ সময় আধিপত্য দেখানোর পর ২৪তম মিনিটে সমতায় ফেরে মায়ামি। বক্সের ডানপ্রান্ত থেকে বাঁ পায়ের শট কোনো খেলোয়াড়ের গায়ে না লেগে গোললাইনের সামনে পড়ে। এরপর দূরের পোস্ট ছুঁয়ে জালে জড়ায় বল।
লিগে এটি মেসির ২০তম গোল। গত ম্যাচে গোলের শতক পূর্ণ করা আর্জেন্টাইন তারকা মায়ামির জার্সিতে ১০১তম এবং সব মিলিয়ে ক্যারিয়ারে ৯৩০তম গোলের দেখা পেয়েছেন। ফ্রি কিক থেকে এটি ছিল তার ৭৫তম গোল।
গোলের পর মায়ামি ডিয়েগোর বক্সে আক্রমণের ধার বাড়ায়। জয়ের প্রয়োজনীয় গোলটি যেন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ৭৪তম মিনিটে রদ্রিগো দে পলের বাড়ানো বলে সুয়ারেজ সেই গোল করেন।
জয়ের আভাস দিয়ে ম্যাচের শেষ ১০ মিনিটে প্রবেশ করে মায়ামি। কিন্তু শেষ দিকে চমকে দেয় ডিয়েগো। ভার্সকোভের নিখুঁত পাস ধরে ড্রেয়ার স্কোর ২-২ করেন। শেষ নয় ম্যাচে মাত্র একটিতে জয় পেয়েছে মায়ামি। ফলে এমএলএসের পয়েন্ট তালিকায় তারা তিন নম্বরে নেমে গেছে। ২৬ ম্যাচ শেষে শীর্ষে থাকা ন্যাশভিলের চেয়ে ১১ পয়েন্ট পিছিয়ে তারা। সমান ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে নিউ ইংল্যান্ড রেভ্যুলেশন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









