ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে খেলা হলো না বাংলাদেশের। ১৬০ রানে অল আউট হবার পর আফগানিস্তানকে ১১৯ রানে গুটিয়ে দিতে পারলে ফাইনাল খেলা নিশ্চিত হতো। কিন্তু প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে পরাজয়ের পর আফগানিস্তানের কাছে ৭ উইকেটের বড় হারে ফাইনাল থেকে ছিটকে গেছে তাওহিদ হৃদয়ের দল।
শারজাহতে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আরও একবার ব্যাটারদের ব্যর্থতায় টাইগারদের ইনিংস ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে গুটিয়ে যায়।
আফগান স্পিনার রশীদ খান ৮.২ ওভাওের ৩১ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট। এছাড়া দুই পেসার আজমাতুল্লাহ ওমরজাই ও ইয়ামিস আহমেদজাই ২টি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশের হয়ে পারভেজ হোসেন ইমন ৫টি চার ও ২টি ছয়ে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন। ২৮ রানে ৪ উইকেট পতনের পর বাংলাদেশকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলেন ইমন ও ওপেনার সাইফ হাসান। এই জুটি পঞ্চম উইকেটে ৯৩ রানের লড়াকু পার্টনারশীপ গড়ে তুলে। সাইফের ব্যাট থেকে এসেছে ৪১ রান।
ছোট টার্গেট তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তান সহজেই ৩ উইকেটের বিনিময়ে ৮৭ বল বাকি থাকতে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায়।
দলীয় ৩৯ রানে রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও সেদিকুল্লাহ আটালকে বোল্ড করে তাসকিন আহমেদ ম্যাচ কিছুটা জমিয়ে তুলেছিলেন। কিন্তু অধিনায়ক রহমত শাহ (৬৭) ও হাসমাতুল্লাহ শাহিদী (৩৬) অপরাজিত থেকে আফগানিস্তানের জয় নিশ্চিত করেন। এনিয়ে টানা পাঁচ ওয়ানডেতে আফগানিস্তানের কাছে হারলো বাংলাদেশ।
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) আফগানিস্তানের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









