হেমন্তের শীতল হাওয়া জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। ঋতু পরিবর্তনের এ সময়ে ত্বক ধীরে ধীরে হারাতে শুরু করে স্বাভাবিক আর্দ্রতা। মুখ ধোয়ার পর ত্বক টান টান লাগা, শুষ্কতা ও রুক্ষতা দেখা দিতে পারে। তাই শীত আসার আগেই ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি।
পর্যাপ্ত পানি পান করুন
ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন। শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দিলে ত্বক শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন নিয়মিত পানি পান করার পাশাপাশি পানিসমৃদ্ধ ফল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন
শীতের আগে থেকেই ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত। মুখ ও শরীরের ত্বক পরিষ্কার করার পরপরই উপযোগী ময়েশ্চারাইজার লাগালে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি হাঁটু, কনুই ও গোড়ালির মতো শুষ্ক হয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে, এমন অংশেরও যত্ন নিন। এসব জায়গায় নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন, যদি তা আপনার ত্বকে সহনীয় হয়।
প্রাকৃতিক উপাদানে ত্বকের যত্ন
ত্বকের যত্নে মধু ও পাকা কলার মতো উপাদান ব্যবহার করেন অনেকে। পাকা কলা ত্বকে মসৃণ অনুভূতি দিতে পারে। তবে প্রাকৃতিক উপাদান সবার ত্বকে একইভাবে কাজ করে না। তাই মুখে ব্যবহারের আগে অল্প জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো। জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি হলে ব্যবহার বন্ধ করুন।
কমলালেবু খাওয়ার অভ্যাস করুন
কমলালেবুতে রয়েছে ভিটামিন সি, যা শরীরে কোলাজেন তৈরিতে ভূমিকা রাখে। তাই খাদ্যতালিকায় কমলালেবুর মতো ভিটামিন সি-সমৃদ্ধ ফল রাখতে পারেন। তবে কমলালেবুর খোসা সরাসরি মুখে ব্যবহার করলে কারও কারও ত্বকে জ্বালাপোড়া হতে পারে। সংবেদনশীল ত্বকে এ ধরনের ব্যবহার এড়িয়ে চলাই ভালো।
গোলাপজল ও গ্লিসারিন ব্যবহারে সতর্কতা
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে গ্লিসারিনযুক্ত ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা যায়। গোলাপজল ও গ্লিসারিনের মিশ্রণ ব্যবহারের ক্ষেত্রেও ত্বকের ধরন বিবেচনা করা জরুরি। সুগন্ধিযুক্ত গোলাপজল সংবেদনশীল ত্বকে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই উপাদান বাছাইয়ে সতর্ক থাকুন।
শীতের শুষ্কতা থেকে ত্বককে সুরক্ষিত রাখতে এখন থেকেই নিয়মিত যত্ন নিন। ত্বকের ধরন অনুযায়ী মৃদু প্রসাধনী, উপযোগী ময়েশ্চারাইজার এবং পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস ত্বককে সুস্থ রাখতে সহায়তা করবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









