বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসেও পাল্টা চাপে পড়েছে সফরকারীরা। দ্বিতীয় দিন শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান করেছে ক্যারিবীয়রা। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ১৩৮ রানে পিছিয়ে আছে তারা। বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই শেষ করতে হয়েছে দ্বিতীয় দিনের খেলা।
দিনের শুরুতে সাদমান ইসলামের সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহের আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ সাত উইকেট হারিয়ে ২৭২ রানে গুটিয়ে যায় স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংস। শেষ ১০ রানের মধ্যেই পড়ে চার উইকেট।
বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ ১০৫ রান করেন সাদমান ইসলাম। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর তৃতীয় সেঞ্চুরি। তাওহীদ হৃদয় করেন ৪২ রান। চোট পাওয়া লিটন দাস ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন।
ক্যারিবীয়দের হয়ে বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকান পাঁচ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দেন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তাঁর চতুর্থ পাঁচ উইকেটের কীর্তি। এ ছাড়া শামার জোসেফ ও জশুয়া বিশপ দুটি করে উইকেট নেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পঞ্চম ওভারে হাসানের ফিফথ-স্টাম্পের বলে ব্যাট চালিয়ে উইকেটরক্ষক জাকের আলি অনিকের হাতে ক্যাচ দেন ব্রেন্ডন কিং। ১৫ রান করে ফেরেন এই ওপেনার।
এরপর ত্যাজনারায়ণ চন্দরপলকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস সামলানোর চেষ্টা করেন জন ক্যাম্পবেল। চন্দরপল ধৈর্য ধরে ব্যাট করলেও ক্যাম্পবেল খেলতে থাকেন আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে। দুই ব্যাটারের ব্যাটে বিরতির আগে সুবিধাজনক অবস্থানে ছিল সফরকারীরা।
বৃষ্টি ও আলোকস্বল্পতার কারণে তৃতীয় সেশনের খেলা শুরু হতে দেরি হয়। বিরতির পর মাঠে ফিরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটিংয়ে ধাক্কা দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম। ফিফটি পূর্ণ করা ক্যাম্পবেলকে ৫৪ রানে ফিরিয়ে স্বস্তি এনে দেন মিরাজ।
এরপর এক ওভারেই দুই উইকেট তুলে নেন তাইজুল। ইনিংসের ৩৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে কাভেম হজকে আউট করেন তিনি। ২০ বলে ৭ রান করেন হজ। একই ওভারের পঞ্চম বলে কোনো রান না করেই বিদায় নেন আমির জাঙ্গো।
এরপরও উইকেট হারানোর শঙ্কায় থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস থেমে যায় আলোকস্বল্পতার কারণে দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগেই। দ্বিতীয় দিন শেষে তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১৩৪ রান। ফলে প্রথম ইনিংসে ১৩৮ রানের লিড ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









