একদিন পরই টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জেতায় দলটি এখন বেশ আত্মবিশ্বাসী ও ফুরফুরে মেজাজে রয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) অনুশীলনের আগে সংবাদ সম্মেলনে স্পিন বোলিং কোচ মুশতাক আহমেদ দলের অবস্থা জানাতে গিয়ে এসব কথা বলেন।
ওয়ানডে সিরিজ জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভালো করবে এমনটাই বিশ্বাস করে তিনি বলেন, “জয় সবসময়ই ভালো অনুভূতি দেয়। ড্রেসিং রুম এখন খুবই আনন্দময়।”
তবে উন্নতির সুযোগ আছে জানিয়ে মুশতাক আরও বলেন, “কোচ হিসেবে আমরা সব সময় উন্নতির জায়গা খুঁজি। জিতলেও অন্তত ১% উন্নতির সুযোগ থাকে। টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জেতা বাংলাদেশের জন্য ভালো খবর। টি-টোয়েন্টি তরুণদের জন্য এটা নিজেদের প্রমাণ করার দারুণ সুযোগ। একই সঙ্গে আমরা বেঞ্চ স্ট্রেংথ শক্ত করতে চাই। বিশ্বকাপের আগে সবাই যেন পর্যাপ্ত ম্যাচ খেলে প্রস্তুত থাকে। জয় আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।”
বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টিতে নামছে গত বছরের ডিসেম্বরের পর। মাঝে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ থাকলেও সরকারের অনুমতি না থাকা যেতে পারেননি। ২০২৮ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে বাংলাদেশ।
লম্বা এই সময়ে সাদা বলের ক্রিকেটে দুই ফরম্যাটেই ভালো করবে জানিয়ে মুশতাক বলেন, “লক্ষ্য খুব পরিষ্কার, সাদা বলের ক্রিকেটকে শক্তিশালী করা। টি-টোয়েন্টি তরুণদের আত্মবিশ্বাস দেয়। সাকলায়েন, রিপনদের মতো নতুনরা আসছে। এই ফরম্যাটে ভালো করলে তারা ওয়ানডেতেও সুযোগ পাবে। তাই টি-টোয়েন্টি এখন দল গড়ার এবং বেঞ্চ স্ট্রেংথ শক্ত করার বড় প্ল্যাটফর্ম।’’
মুশতাকের মূল কাজ স্পিনারদের নিয়ে। টি-টোয়েন্টি দলে নাসুম আহমেদ, শেখ মেহেদী হাসান যোগ দিয়েছেন। আগের থেকেই আছেন রিশাদ হোসেন। স্পিনারদের নিয়ে তিনি বলেন, “তারা দারুণ করছে। স্পিনাররা খুব ভালো বল করছে, যদিও পেসাররাও উইকেট পাচ্ছে। উইকেটে কিছুটা টার্ন আছে। গত ম্যাচেও দেখেছেন, উভয় দলের স্পিনাররাই বল ঘোরাতে পেরেছে।”
স্কোয়াডে একাধিক স্পিনার থাকায় দল বাছাই করা একটু কঠিনই। তবে কঠিন কাজটা কোচ, অধিনায়ক ও নির্বাচকদের কোর্টে ঠেলে দিলেন মুশতাক বলেন, “একাদশ ঠিক করা কোচ, অধিনায়ক ও নির্বাচকদের কাজ। তবে আমার কাজ হলো সবাইকে মানসিকভাবে প্রস্তুত রাখা।”


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









