নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মেঘনা নদীর কুলে ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ মেরামত না করা হলে বেড়িবাঁধ ধসে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা আশা করা যাচ্চে।
গত বর্ষায় সাম্প্রতিক জোয়ার ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীর তীব্র জোয়ারে তীব্র গতিতে ভাঙনে বেড়িবাঁধের একাধিক অংশ ভেঙ্গে পড়ে গেছে বাকী অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নলচিরা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের নদীর কুলে ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ মেরামত না হওয়ায় এটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। সাম্প্রতিক জোয়ার ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে নদীর প্রবল জোয়ারে বেড়িবাঁধের একাধিক অংশ ভেঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বেড়িবাঁধ সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে জোয়ারের পানি ও নদীর ঢেউয়ের আঘাতে বাঁধের বিভিন্ন অংশে ফাটল ও ধসে গেছে। অনেক স্থানে মাটি সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় পুরো বাঁধ ভেঙে বিস্তৃীর্ণ এলাকা প্লাাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নলচিরা ইউনিয়নের বাসিন্দা কৃষক আবুল কালাম বলেন, প্রতিদিন আতঙ্ক নিয়ে বসবাস করছি। সামান্য জোয়ারেই বাঁধের অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এখনই সংস্কার কাজ শুরু না করলে বর্ষা মৌসুমে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যজীবী বাসিন্দারা জানান, বেড়িবাঁধ ভেঙে গেলে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের পানিতে তলিয়ে যাবে। এতে হাজারো মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জামিল আহমেদ বলেন, এলাকাটির ক্ষতিগ্রস্থ অংশ স্থায়ীভাবে সংস্কারের জন্য এখন পর্যন্ত কোনো আলাদা বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টির গুরুত্বপূর্ণ একারণে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ স্থানটি মেরামত করে জিও টেক্সটাইলের মাধ্যমে স্লোপ প্রটেকশন কাজ করা হবে, যাতে ভাঙন ও ক্ষয়রোধ করা সম্ভব হয়। এতে স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব করা সম্ভব হবে।
এ বিষয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলাপ কালে তারা জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন তারা। এলাকাবাসীর প্রত্যাশা সম্ভাব্য দুর্যোগ এড়াতে দ্রুত টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ঝুঁকিপূর্ণ অংশে জরুরি সংস্কার কাজ অবিলম্বে শুরু করবেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









