হাতিয়া দ্বীপের আলোকবর্তিকা, প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ ও প্রথিতযশা আলেমে দ্বীন মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.)-এর স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ‘মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.) ফাউন্ডেশন’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
স্মরণসভায় বক্তারা বলেন, মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.) ছিলেন একাধারে বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী, প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ ও আলেমে হক্কানি। তার জ্ঞান, আদর্শ ও কর্মময় জীবন হাতিয়ার ধর্মীয় ও শিক্ষাঙ্গনে আজও আলোর পথ দেখায়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ১৯৫৯ সালে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা থেকে প্রথম বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করায় তৎকালীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান তাকে গোল্ড মেডেল প্রদান করেন। এ অসামান্য কৃতিত্বের কারণে তিনি ‘বেঙ্গল প্রথম’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। পরবর্তীতে মানুষের মুখে মুখে তিনি ‘বেঙ্গল হুজুর’ ও ‘মুহাদ্দিছ হুজুর’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাওলানা মুহাদ্দিছ আবুল কাশেম বলেন, “মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.) অত্যন্ত সুন্দর ও ধীরস্থিরভাবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতেন। তিনি ছাত্রদের নিজের সন্তানের মতো ভালোবাসতেন। তার বয়ান শুনতে মানুষ নীরব ও মুগ্ধ হয়ে থাকত। তিনি ছিলেন একজন আলেমে হক্কানি।
হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা বাহাউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জোবায়ের এ সময় বক্তব্য দেন মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.)-এর সুযোগ্য উত্তরসূরী,
মাওলানা তাওফিকুল ইসলাম, মাওলানা এইউএম ইদ্রিস, মাস্টার বোরহানুল ইসলাম, হাতিয়া রহমানিয়া ফাজিল মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট আ.ফ.ম. আব্দুস ছালাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা খোন্দকার আবুল কালাম, মাওলানা কাজী আব্দুর রহিম ও কবি আমিনুল এহছান মিলাদ প্রমুখ।
স্মরণসভায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় শতাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা শেষে মরহুম মুহাদ্দিছ রুহুল আমিন (রাহ.)-এর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









