কক্সবাজারের টেকনাফে দুই ছেলের ঝগড়া থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত আবুল কাসেম প্রকাশ লেডু মিস্ত্রি (৬০) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান।
গত শুক্রবার সকালে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হামজারছড়া গ্রামের জাম্বুপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাসেম ওই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, আবুল কাসেমের দুই ছেলে হারুন ও নুর মোহাম্মদের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ঝগড়া শুরু হয়। এ সময় ঝগড়া থামাতে এগিয়ে গেলে হারুন তার বাবাকে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে গুরুতর আহত হন আবুল কাসেম।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ছেলে নুর মোহাম্মদ বলেন, ‘‘আমার ভাইয়ের সঙ্গে ঝগড়ার একপর্যায়ে বাবা ছুরিকাঘাতে আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।’’ আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
হ্নীলা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, ‘‘দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া ও কথা কাটাকাটির জেরে একপর্যায়ে হারুন তার বাবাকে ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় আবুল কাসেমকে প্রথমে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল হয়ে চট্টগ্রামে পাঠানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।’’
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘‘দুই ছেলের ঝগড়া থামাতে গিয়ে আবুল কাসেম ছুরিকাঘাতে আহত হন। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।’’ পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









