যশোরের কেশবপুরে বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শিশুখাদ্য বিক্রি ও বাজারজাত, লেবেল না থাকা, বিক্রয় ও ক্রয়মূল্য উল্লেখ না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকায় একটি প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কেশবপুর উপজেলার মধু সড়ক স্বর্ণপট্টি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, কেশবপুরের মধু সড়ক স্বর্ণপট্টি এলাকায় কালীবাড়ির সামনে অবস্থিত ইত্যাদি স্টোরে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন ধরনের শিশুখাদ্য ও খাদ্যপণ্য পরিদর্শন করা হয়। এ সময় বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শিশুখাদ্য ও খাদ্যপণ্য বিক্রি এবং বাজারজাত করার বিষয়টি ধরা পড়ে। এসব পণ্যের মধ্যে চায়না চোক, ডিংকা, নাটোরের কাচাগোল্লা, ইনটেক ম্যাংগো জুস ও জিরা চিপসসহ বিভিন্ন পণ্য ছিল। এ ছাড়া বেশ কিছু পণ্যে লেবেল না থাকা, বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্য উল্লেখ না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ না থাকার বিষয়টি পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনের বিভিন্ন ধারায় জরিমানা করা হয়। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ২ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান জানান, অভিযানে অনুমোদনহীন ও প্রয়োজনীয় তথ্যবিহীন খাদ্যপণ্য বিক্রির বিষয়টি ধরা পড়ায় আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ভবিষ্যতে এ ধরনের পণ্য বিক্রি না করার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। তিনি জানান, ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে।
অভিযানে জেলা পুলিশের একটি দল, কেশবপুরের স্যানিটারি ইন্সপেক্টর ও নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শক উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









