ফরিদপুরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ ৬ জন নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের কানাইপুরের তেঁতুলতলা ও মধুখালীর আড়কান্দি এলাকায় আধা ঘণ্টার ব্যবধানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ৯ জন।
নিহত মা-ছেলে হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পলাশ মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগম (৩২) ও ছেলে শাওন (৭)। অন্য দুর্ঘটনায় নিহত তিনজন মাগুরা জেলার বাসিন্দা শিক্ষার্থী। তাদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। এ ছাড়া নিহত অটোরিকশাচালকের পরিচয়ও জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কানাইপুর থেকে ফরিদপুর শহরগামী একটি অটোরিকশা তেঁতুলতলা এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা বালুবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পড়ে। এ সময় ট্রাকটির নিচে একটি অটোরিকশা ও প্রাইভেট কার চাপা পড়ে। এতে অটোরিকশার যাত্রী সুমি ও তার ছেলে শাওন নিহত হন। এ ঘটনায় প্রাইভেট কারের চার যাত্রী আহত হন। ট্রাকের নিচে আটকে পড়া অটোরিকশাচালক ও প্রাইভেট কারের এক যাত্রীকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় উদ্ধার করেন।
অন্যদিকে, মধুখালীর আড়কান্দি এলাকায় সাতক্ষীরা থেকে ঢাকাগামী কিংফিশার পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে ফরিদপুর থেকে মাগুরাগামী একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা তিন শিক্ষার্থী নিহত হন। আহত হন আরও চারজন।
মধুখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার শামীম রেজা জানান, মাগুরা থেকে সাত শিক্ষার্থী সকালে ফরিদপুরে একটি কর্মশালায় যোগ দিতে এসেছিলেন। কর্মশালা শেষে অ্যাম্বুলেন্সে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন তারা। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মধুখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে।
ফরিদপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শ্রীবাস বাড়ৈ জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বালুবোঝাই ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে পড়ায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









