যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির আওতায় রাশিয়ার ডিজেলবাহী প্রথম ট্যাংকার গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। ভবিষ্যতেও নিয়মিতভাবে এই জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এক সংবাদ সম্মেলনে পেসকভ বলেন, রুশ জ্বালানিবাহী প্রথম ট্যাংকার ইতিমধ্যে ক্রেতাদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। এখন থেকে নিয়মিতভাবে এ ধরনের চালান পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
এর দুই দিন আগে রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাক জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল সরবরাহের চুক্তি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। প্রথম ট্যাংকারে ৪০ হাজার টন রুশ ডিজেল পাঠানোর কথা রয়েছে। রাশিয়ার সরবরাহ সক্ষমতার মধ্যে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদা পূরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।
চলতি মাসের শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের পর ডিজেল সরবরাহ চুক্তির ঘোষণা দেন। চুক্তি অনুযায়ী, রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে তাৎক্ষণিকভাবে তিন লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহ করবে।
ট্রাম্পের ঘোষণা অনুযায়ী, নভেম্বরে আরও পাঁচ লাখ টন এবং এরপর দ্রুত আরও ১০ লাখ টন ডিজেল সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। রাশিয়ার শোধনাগারগুলোর পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে স্বল্প সময়ের মধ্যে আরও ৩০ লাখ টন ডিজেল পাঠানো হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
পুতিনের মতে, রুশ ডিজেল সরবরাহ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য উপকারী হবে। তবে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এ চুক্তির সমালোচনা করেছেন। তার আশঙ্কা, রাশিয়ার জ্বালানি রপ্তানিতে বিধিনিষেধ শিথিল হলে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অর্থায়নের সুযোগ পাবে মস্কো।
চুক্তির আওতায় জ্বালানি সরবরাহ কতটা নিয়মিত হবে এবং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব কী দাঁড়াবে, তা এখন দেখার বিষয়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









