যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীদের সঙ্গে হলিউডের তারকাদের সম্পর্ককে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে রিপাবলিকানরা। তাদের লক্ষ্য, তারকাদের সমর্থনকে প্রার্থীদের দুর্বলতা হিসেবে তুলে ধরে ভোটারদের প্রভাবিত করা।
টেক্সাসে সিনেট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস তালারিকোর বিরুদ্ধে রিপাবলিকান কেন প্যাক্সটন দাবি করেছেন, তালারিকো নির্বাচিত হলে তিনি হবেন ক্যালিফোর্নিয়ার তৃতীয় সিনেটর। মূলত হলিউডের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের কাছ থেকে তালারিকোর নির্বাচনী তহবিলে অর্থ আসার বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেন তিনি।
পিটার চেরনিন, ডেমন লিন্ডেলফ ও রবার্ট ডি নিরোর মতো ব্যক্তিত্ব তালারিকোর প্রচারে অর্থসহায়তা দিয়েছেন। ব্র্যাড গ্যারেট, হল্যান্ড টেলর ও নোয়া ওয়াইলও তাঁকে সমর্থন করেছেন।
জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে পুনর্নির্বাচনের লড়াইয়ে থাকা ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফের পক্ষেও রয়েছেন হলিউডের একাধিক পরিচিত মুখ। শোন্ডা রাইমস তাঁর জন্য তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন। স্যালি ফিল্ড, ল্যারি ডেভিড ও বেন স্টিলারও অর্থ দিয়েছেন। এর জবাবে রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী মাইক কলিন্সের শিবির অসফকে জর্জিয়ার বদলে ক্যালিফোর্নিয়ার হলিউডের প্রতি বেশি মনোযোগী বলে কটাক্ষ করেছে।
অসফের নির্বাচনী প্রচারে ৯০০ ডলারের মেকআপ খরচ নিয়েও সমালোচনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মেকআপশিল্পী ‘দ্য নোটবুক’ ও ‘দ্য হাঙ্গার গেমস’-এর মতো চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।
তবে তারকাদের সঙ্গে সম্পর্ককে নেতিবাচকভাবে তুলে ধরার কৌশল কতটা কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট নয়। জনমত জরিপে অসফ এখনো প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন।
অন্যদিকে, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও ডেটা সেন্টার নিয়ে সমালোচনা ভোটারদের কাছে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। সব মিলিয়ে, হলিউডের তারকাদের সমর্থন নির্বাচনে সুবিধা দেবে, নাকি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের আক্রমণের কারণ হবে—তা নির্ভর করছে ভোটারদের প্রতিক্রিয়ার ওপর।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









