চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আনসারবাড়ীয়া রেলস্টেশনের পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু, প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ ও আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে ট্রেন আটকে রেলপথ অবরোধ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বুধবার (৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে স্টেশন চত্বরে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে প্রায় পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নেন। এ সময় খুলনা থেকে চিলাহাটিগামী আন্তঃনগর রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে রাখা হয়। দাবি পূরণে রেল কর্তৃপক্ষকে ৭২ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেন আন্দোলনকারীরা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, আনসারবাড়ীয়া স্টেশনটি জীবননগরের পাশাপাশি আশপাশের কয়েকটি ইউনিয়ন ও ঝিনাইদহের মহেশপুর এলাকার মানুষের যাতায়াত এবং কৃষিপণ্য পরিবহনে গুরুত্বপূর্ণ। তবে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামোর অভাবে স্টেশনটির কার্যক্রম প্রায় বন্ধ হয়ে আছে।
তাদের অভিযোগ, বর্তমানে অনিয়মিতভাবে থামা ট্রেনগুলো মূল প্ল্যাটফর্মের পরিবর্তে ২ নম্বর লাইনে দাঁড়ায়। সেখানে প্ল্যাটফর্ম না থাকায় নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে ওঠানামা করতে হয়। এ অবস্থায় ১ নম্বর প্ল্যাটফর্ম চালুরও দাবি জানান তারা।
আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করে অন্তত দুজন স্টেশন মাস্টারসহ প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ, আধুনিক প্ল্যাটফর্ম ও যাত্রীসুবিধা নিশ্চিত করা এবং ঢাকা-খুলনা ও খুলনা-রাজশাহী রুটের আন্তঃনগর ট্রেনের উভয়মুখী যাত্রাবিরতি চালু করা।
কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে জীবননগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন খান খোকন বলেন, স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে জীবননগরসহ আশপাশের এলাকার হাজারো মানুষ উপকৃত হবেন। বিশেষ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানী ও বিভাগীয় শহরে যাতায়াত সহজ হবে।
কর্মসূচি শেষে আন্দোলনকারীরা জানান, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দাবি পূরণে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়া হলে রেলপথ অচলসহ আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









