মাগুরায় প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ টাকার স্বর্ণ ডাকাতি এবং যুবক সাকের হোসেন হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। পৃথক অভিযান চালিয়ে দুটি মামলার মূল পরিকল্পনাকারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় স্বর্ণালংকার, আগ্নেয়াস্ত্র, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (৪ নভেম্বর) জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর বাজার এলাকায় গোল্ডেন লাইন বাসে থাকা স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. মজিবুর রহমানের কাছ থেকে প্রায় ১৫০ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ৬০ হাজার টাকা ডাকাতি করে দুর্বৃত্তরা। লুট হওয়া স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য ২ কোটি ৯০ লাখ টাকা।
এ ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একটি কাটা স্বর্ণের বার, দুটি মোটরসাইকেল ও একটি টয়োটা কার উদ্ধার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, গত ২১ অক্টোবর ভোরে মাগুরা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের রয়েল কাউন্টারের ভেতরে মাথায় গুলি করে সাকের হোসেন (৩৬) নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় পৃথক অভিযান চালিয়ে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি বুলেট, একটি খালি কার্তুজ ও পাঁচটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়েছে। এসব স্বর্ণের ওজন ৫১ দশমিক ৯১ ভরি।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, দুটি মামলায় উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট পরিমাণ ৬১ ভরি ৬ আনা বা ৭১৬ দশমিক ৪৬ গ্রাম। দুই মামলাতেই মো. মারুফ হোসেন ও মো. গোলাম জাহিদ নামে দুই ব্যক্তি জড়িত বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে গোলাম জাহিদ আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত এবং গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









