নাটোর জেলার নলডাঙ্গা থানাধীন ৪ নম্বর পিপরুল ইউনিয়নের পৃথক দুটি স্থানে গলায় ফাঁস দিয়ে এক পুরুষ ও এক নারীর মর্মান্তিক আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার (৬ নভেম্বর) রাত থেকে শনিবার (৭ নভেম্বর) ভোরের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন সময়ে এসব ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রথম ঘটনাটি ঘটেছে নলডাঙ্গা থানার কালিগঞ্জ গ্রামে। মৃত ব্যক্তি হলেন কালিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার মৃত ইসমত মোল্লার ছেলে মো. আব্দুর রহিম (৬২)। তিনি পিপরুল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতাজনিত কারণে তিনি তীব্র মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন বলে জানা গেছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯টা থেকে শনিবার ভোর ৫টার মধ্যে যেকোনো সময় তিনি নিজ বসতঘরের কাঠের রুয়ার সাথে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে নলডাঙ্গা থানায় খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করে।
দ্বিতীয় মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে একই ইউনিয়নের ঠাকুর লক্ষ্মীপুর পশ্চিমপাড়া (বাবার মোড়) এলাকায়। নিহত নারীর নাম মোছা. আমেনা বেগম (২৫)। তিনি ওই এলাকার মো. মাঈন উদ্দিনের মেয়ে এবং মো. আশিক মিয়ার স্ত্রী। পারিবারিক কলহের জেরে গত শুক্রবার রাত আনুমানিক ১১টা থেকে ১১টা ২০ মিনিটের মধ্যে যেকোনো সময় তিনি নিজ বসতবাড়ির বারান্দা সংলগ্ন একটি ঘরের কাঠের রুয়ার সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।
এ বিষয়ে নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার জাহান জানান, "খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুটি মৃত্যুর ঘটনাই সম্পূর্ণ পৃথকভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উভয় ঘটনার আইনি প্রক্রিয়া বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।"


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









