ঝিনাইদহে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে আন্না খাতুন (৪৫) ও আসাদুল ইসলাম (৪০) নামের দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৮ মে) বিকেলে শৈলকুপা উপজেলার দামুকদিয়া ও সদর উপজেলার মায়াধরপুর গ্রামে পৃথক ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়।
এদিকে একই সময় বজ্রপাতে সদর উপজেলার ধোপাঘাটা গোবিন্দপুর, দোগাছি ও শৈলকুপার লাঙ্গলবাঁধ এলাকায় বজ্রপাতে নারীসহ আরও চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে
মৃতরা হলেন—শৈলকুপার উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের দামুকদিয়া গ্রামের আনিসুর রহমানের স্ত্রী আন্না খাতুন (৪৫)। অপরজন আনিসুর রহমান (৪০) কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার নফরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ধান কাটা শ্রমিক হিসেবে ঝিনাইদহে কাজ করতে এসেছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে বৃষ্টি ও ঝড় শুরু হলে গৃহবধূ আন্না খাতুন আম কুড়ানোর জন্য বাড়ির বাইরে বের হয়। হঠাৎ তীব্র বজ্রপাত শুরু হলে বাড়ির পাশে বজ্রাঘাতে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
অন্যদিকে সদর উপজেলার মায়াধরপুরে মাঠে ধান কাটা ও বাঁধার কাজ করছিলেন কৃষকরা। এ সময় বজ্রপাতে দুইব্যক্তি আহত হন। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক কৃষি শ্রমিক আসাদুল ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অপর কৃষক প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
শৈলকুপা থানার ওসি হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, ‘‘বিকেলে ঝড়-বৃষ্টি মধ্যেই গৃহবধূ আন্না খাতুন আম কুড়ানোর জন্য বাড়ির বাইরে বের হয়ে বজ্রাঘাতে মারা যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে বাড়ির পাশে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পায়। খবর পেয়ে শৈলকুপা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’’
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদউজ্জামান বলেন, ‘‘বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যুর বিষয়টি জানতে পেরেছি। তিনি ধানকাটা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে এসেছিলেন। হাসপাতালে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়েছে। তার পরিবারের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হচ্ছে।’’


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









