৪৫তম বিসিএসের মাধ্যমে ৩৮৩ জন প্রার্থীকে শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
রবিবার (২৫ অক্টোবর) এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। নিয়োগের পাশাপাশি কর্মকর্তাদের জন্য বেশ কিছু শর্তও নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অথবা সরকার নির্ধারিত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে নিজ নিজ চাকরির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সরকার নির্ধারিত পেশাগত ও বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হবে তাদের।
নিয়োগপ্রাপ্তদের দুই বছর শিক্ষানবিশ হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজনে সরকার এ সময়সীমা সর্বোচ্চ আরও দুই বছর বাড়াতে পারবে। শিক্ষানবিশকালে কোনো কর্মকর্তাকে চাকরিতে বহাল থাকার অনুপযোগী মনে হলে কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ না করে তাঁকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ৪৫তম বিসিএস পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে কর্মকর্তাদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ করা হবে। নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ তথ্য পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিয়োগের আদেশ সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।
নিয়োগের শর্তে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করার অঙ্গীকারে আবদ্ধ থাকলে তাঁর নিয়োগপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে। এ ছাড়া নিজে বা পরিবারের কোনো সদস্য যৌতুক গ্রহণ করবেন না—এ মর্মে যোগদানপত্রের সঙ্গে ৩০০ টাকার নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বন্ড সম্পাদন করতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার সনদ পরবর্তী সময়ে মিথ্যা বা জাল প্রমাণিত হলে তাঁর নিয়োগ বাতিল করা হবে। একই সঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ১ নভেম্বর সশরীরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন অ্যাকাডেমিতে উপস্থিত হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর যোগদান করতে হবে। পাশাপাশি ১ থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত আট দিনব্যাপী আবাসিক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









