নেপালের তিব্বত সীমান্তবর্তী রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৮৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ৮২৬ জন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সর্বশেষ আপডেটে দেশটির পুলিশ এ তথ্য জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্টকে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন নেপাল পুলিশের মুখপাত্র অভি নারায়ণ কাফলে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, চিতাওয়ান থেকে ১০৯টি, পূর্ব নাওয়ালপারাসি থেকে ৬২টি, দাধিং থেকে ২৭টি, গোর্খা থেকে ২০টি, রাসুয়া থেকে ১৭টি, পশ্চিম নাওয়ালপারাসি থেকে ১৫টি, নুয়াকোট থেকে ১২টি এবং তানাতুন থেকে ৯টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ ৮২৬ জনের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্য এবং দেশি-বিদেশি পর্যটক রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে সেনাবাহিনীর ৪৪ সদস্য, ২৮ পুলিশ সদস্য এবং সশস্ত্র বাহিনীর আরও ১৩ জন সদস্য রয়েছেন।
বুধবার সকালে হঠাৎ করে রাসুয়া জেলার দিকে বন্যার পানি ধেয়ে আসে। এতে ত্রিশূলি ও নারায়নি নদীর পানি দ্রুত বেড়ে যায়। একই সময়ে ভোটকোশি নদীতেও পানির প্রবাহ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।
প্রবল স্রোতের কারণে বন্যার পথে থাকা বিভিন্ন অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ধ্বংস হয়ে যায়। এতে হতাহতের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন।
এদিকে নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতও বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে প্রায় ৩০০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এর আগে বুধবার চীন তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছিল।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









