মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে ধরে রাখা না গেলে দেশের স্বাধীনতার প্রকৃত গুরুত্বও হারিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুসের স্মরণসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরা জরুরি। তা না হলে জাতি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়বে। তিনি বলেন, অনেকেই একাত্তরের ঘটনাকে নানা বিষয়ের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। তবে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার গুরুত্ব অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
অনুষ্ঠানে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজাকার বাহিনীর ভূমিকারও কঠোর সমালোচনা করেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, হিন্দু অধ্যুষিত বহু গ্রামে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। নারীদের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে তাদের মরদেহ রেললাইনের পাশে ফেলে রাখা হতো। তিনি বলেন, সেই সময়ের মানবিক বিপর্যয় ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ এবং এসব ঘটনায় রাজাকার বাহিনী পাকিস্তানি সেনাদের সহযোগিতা করেছিল।
নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা দিতে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে বিলোনিয়া সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে তিনি দেখেছেন, এক প্রাপ্তবয়স্ক নারীকে উলঙ্গ অবস্থায় একটি বাঙ্কারে বেঁধে নির্যাতন ও ধর্ষণ করা হতো। তার দাবি, এ ধরনের নৃশংস ঘটনায় রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা জড়িত ছিল এবং তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









