ইতিহাসের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। পাকিস্তানের এক একটি উইকেট পতন যেন আরেকটু এগিয়ে চলা ইতিহাসের পাতায় নাম উঠাতে। প্রতিমুহূর্ত এখন রোমাঞ্চ আর উত্তেজনায় ঠাসা।
পঞ্চম দিনেও জমে উঠতে পারে নাটকীয়তা আর শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ। সব হিসাব-নিকাশ শেষে কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের খুব কাছেই দাঁড়িয়ে শান্তর দল। আরেকবার পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার সুযোগ এখন বাংলাদেশের সামনে।
লক্ষ্য পরিষ্কার, শেষ দিনে বাংলাদেশের দরকার মাত্র ৩ উইকেট, আর পাকিস্তানের প্রয়োজন আরও ১২১ রান। পরিসংখ্যান, অভিজ্ঞতা আর বর্তমান পরিস্থিতি, সবকিছু বাংলাদেশের পক্ষে।
পাকিস্তানের ভরসা হয়ে আছেন ৭৫ রান করা মোহাম্মদ রিজওয়ান। সঙ্গে সাজিদ খান। এরপর খুররাম শাহজাদ ও মোহাম্মদ আব্বাস। তাদের নিয়ে পথ পাড়ি দেওয়া কঠিনই নয়, প্রায় অসম্ভব রিজওয়ানের।
মঙ্গলবার (১৯ মে) চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের সাফল্যের শুরুটা হয়েছিল নাহিদের হাত ধরে। তার অফস্টাম্প ঘেঁষা বাউন্সার আত্মবিশ্বাস নিয়ে খেলেছিলেন ফজল আব্দুল্লাহ। কিন্তু ঠিকঠাক বলটা ফাঁকে খেলতে পারেননি। নিচু হয়ে আসা ক্যাচ লুফে নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
এরপর মিরাজ বল হাতে ফেরান আজানকে। এরপর অধিনায়ক শান মাসুদ ও বাবর আজম দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। শুরু থেকেই তারা রান তোলায় মনোযোগী হন। প্রতি আক্রমণে সফলও হন দুজন। রানের দেখা পেয়েছেন। সকালের সেশন কাটিয়ে লাঞ্চের পরও তারা এগিয়ে যেতে থাকেন।
লিটনের ক্যাচে অবশেষে ভাঙে এই জুটি। তাইজুলের লেগ স্টাম্প দিয়ে বেরিয়ে যাওয়া বলে ব্যাট ছুঁয়ে দেন বাবর। ফিরে যান ৪৭ রান করে।
সঙ্গী হারানোর পর শান মাসুদও টিকতে পারেননি বেশিক্ষণ। ৭১ রান করা শান তাইজুলের বলে সিরিজের সর্বোচ্চ ৭১ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন তিনি।
মাঝে নাহিদ আক্রমণে এসে সৌদ শাকিলের উইকেট নেন। খানিকটা রিভার্স করা ইয়র্কার ডেলিভারিতে ব্যাট লাগিয়ে ক্যাচ দেন ৬ রান করা সৌদ। ঢাকায় ০ ও ১৫ রানের পর সিলেটে ৮ ও ৬ রান করলেন এই বাঁহাতি।
১৬২ রানে ৫ উইকেট হারানো পাকিস্তান ষষ্ঠ উইকেটে মোহাম্মদ রিজওয়ানের সঙ্গী সালমান আগা লড়াই শুরু করে শতরানের জুটি গড়েন। দুজনই পেয়েছেন ফিফটি।
৮২তম ওভারে তাইজুল এসে সালমান আগাকে বোল্ড করেন তাইজুল। এরপর শূন্য রানে ফেরান নতুন ব্যাটসম্যান হাসান আলীকেও। বাকিটা সময় সাজিদ খানকে দিয়ে কাটিয়ে দেন রিজওয়ান।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









