নিউজিল্যান্ডের ব্যাটার গ্লেন ফিলিপস রবিবার ভারতের বিপক্ষে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ইতিহাস গড়েছেন। ৩৪১ রান নিয়ে তিনি দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজে সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়েছেন। ৩৮ বলে অপরাজিত ৬৫ রানের ইনিংস খেলে তিনি এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন।
এই কীর্তিতে ফিলিপস ছাড়িয়ে গেছেন ইংল্যান্ডের ফিল সল্টকে, যিনি ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩৩১ রান করেছিলেন এবং পাকিস্তানের মোহাম্মদ রিজওয়ানকে, যিনি ২০২২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে করেছিলেন ৩১৬ রান।
ফিলিপসের ইনিংসে ভর করে ১৯২ রানের লক্ষ্য ১৭.৪ ওভারে তাড়া করে সেডন পার্কে সাত উইকেটের জয় পেয়েছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা।
দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজে চার বা তার বেশি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেলা ব্যাটারদের এক অভিজাত তালিকাতেও নাম লিখিয়েছেন ফিলিপস।
তার আগে ২০২২ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে রিজওয়ান এবং ২০২৪ সালে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে জাপানের এস রবিচন্দ্রন এই কীর্তি গড়েছিলেন। ২০২৬ সালে ভারতের বিপক্ষে পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ফিলিপস এই তালিকায় যুক্ত হওয়া তৃতীয় ব্যাটার।
ছক্কার ফোয়ারা
ভারত-নিউজিল্যান্ড লড়াইয়ে অসাধারণ পাওয়ার-হিটিংও দেখা গেছে। ২০২৬ সালে ১১টি টি-টোয়েন্টিতে দুই দল মিলে মেরেছে ২৫৯টি ছক্কা, ম্যাচপ্রতি গড়ে ২৩.৫টি।
পঞ্জিকাবর্ষে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ভারত মেরেছে ১৪২টি ছক্কা, আর ভারতের বিপক্ষে ব্ল্যাক ক্যাপসরা মেরেছে ১১৭টি। কোনও দলের নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বাধিক ছক্কার তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছে কম্বোডিয়া, ২০২৫ সালে ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে তাদের ছক্কা ১১১টি।
দ্বিপাক্ষিক টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক সিরিজে সর্বাধিক ছক্কার তালিকায় শীর্ষে অস্ট্রিয়া, ২০২৬ সালে জার্মানির বিপক্ষে ১৩২টি। এরপর আছে ইংল্যান্ড, ২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১২০টি। ২০২৫ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া মেরেছে ১১৭টি। পরের দুই স্থানে আছে নিউজিল্যান্ড ও ভারত, ২০২৬ সালে নিজেদের দ্বিপাক্ষিক সিরিজে দুই দলেরই ছক্কা ১১৬টি করে।
এর আগে, রবিবার সেডন পার্কে পঞ্চম ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে সাত উইকেটে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড। মাত্র ১৭.৪ ওভারে ১৯২ রান তাড়া করে সান্ত্বনার জয় পেয়েছে তারা, যদিও সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে জিতেছে ভারত।
স্বাগতিকদের দাপুটে রান তাড়ায় নেতৃত্ব দেন টিম সাইফার্ট, ৫০ বলে ঝড়ো ৯৩ রান করে। ফিলিপস ৩৮ বলে ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন।
প্রথম ইনিংশে কঠিন শুরুর পর ইশান কিষান ও অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের অর্ধশতকে ভর করে ভারত ৮ উইকেটে ১৯১ রান করে। তবে অ্যাডাম মিলনের চার উইকেটের কারণে সফরকারীরা ২০০ রানের গণ্ডি পেরোতে পারেনি।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









