চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে লাল কার্ড দেখিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একইসঙ্গে সদ্য সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে পঞ্চম দিনের মতো ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চত্বর ও একাডেমিক ভবনের দেয়ালে আঁকা হয় প্রতিবাদী গ্রাফিতি।
এদিন দুপুরে নবনিযুক্ত উপাচার্যের যোগদান ঠেকানো ও সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে স্বপদে পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় ক্যাম্পাসে একটি বিক্ষোভ মিছিল করা হয়।
পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী দেবজিত দাশগুপ্ত বলেন, ‘‘সায়েম স্যারকে পুনরায় উপাচার্য পদে নিয়োগ না দেওয়া পর্যন্ত আমাদের দাবি ও আন্দোলন চলবে।’’
নবনিযুক্ত উপাচার্য অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলম দাবি করেন, ‘‘চলমান আন্দোলনে ৩০-৩৫ জন শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন। একই সঙ্গে তাকে বরণ করারও প্রস্তুতি চলছে।’
গত ২১ সেপ্টেম্বর চুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে সরিয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শেখ শরীফুল আলমকে নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার। এর আগে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম। ৫৬ দিনের মাথায় তাকে সরিয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়।
এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান চুয়েটের শিক্ষার্থীরা। তাদের আন্দোলন লাগাতার শাটডাউনে রূপ নেয়। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানায় চুয়েট শিক্ষক সমিতি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও।
এদিকে শিক্ষক সমিতির সদস্যদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে শিক্ষক সমিতি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, চুয়েট শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. আহসান উল্লাহ।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









