আগামী প্রজন্মকে দূষণমুক্ত ও বাসযোগ্য পরিবেশ উপহার দিতে দেশের প্রতিটি মানুষকে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে গাছের চারা রোপণ শেষে তিনি এ আহ্বান জানান। এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক বাস্তবায়ন শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, যাতে তারা একটি সুন্দর ও নির্মল পরিবেশে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে, সেজন্য আজ থেকেই যার যেখানে সম্ভব অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণ করুন। আমরা যদি এই বৃক্ষরোপণ অভিযান সফল করতে পারি, তাহলে আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আরও সুন্দর ও নিরাপদ পরিবেশে বসবাস করতে পারবে।”
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন এবং মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন।
একদিনের সফরে শনিবার সকালে আকাশপথে কক্সবাজারে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সফরের শুরুতে তিনি প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খনন করা পিএমখালীর ঐতিহাসিক পাতলীখাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। পরে সেখানে আয়োজিত এক পথসভায় বক্তব্য রাখেন।
পথসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘এবারের বাজেটে ৬০টি পণ্যের ওপর কর প্রত্যাহার করায় অন্যান্য বছরের মতো বাজেট ঘোষণার পর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়েনি।’’
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘‘যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তারাই গণমুখী বাজেটের সমালোচনা করছে।’’
তিনি আরও বলেন, “এই দেশই বিএনপির শেষ ঠিকানা। তাই দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ করতে চাই।”
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে কক্সবাজার ও চকরিয়া এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন কর্মসূচিতে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









