রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের গণহত্যার অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি জানান।
স্ট্যাটাসে মাসুদ সাঈদী বলেন, “খুনি হাসিনার দোসর, ফ্যাসিবাদের সহযোগী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু পদত্যাগ করেছেন। তার দাবি, পদত্যাগের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাহাবুদ্দিনের সাংবিধানিক ও আইনানুগ বিশেষ সুরক্ষা আর বহাল নেই। তাই জুলাইয়ের গণহত্যার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।”
তিনি আরো বলেন, “চিকিৎসার অজুহাতে সাহাবুদ্দিন দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন কথা শোনা যাচ্ছে। কোনোভাবেই যেন তিনি জবাবদিহিতা এড়িয়ে দেশত্যাগের সুযোগ না পান, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।”
মাসুদ সাঈদী বলেন, “জুলাইয়ের শহীদদের রক্তের সঙ্গে কোনো আপস হতে পারে না। সাহাবুদ্দিনকে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ধরনের গোপন সমঝোতা বা ‘সেইফ এক্সিট’ দেওয়ার চেষ্টা করা হলে বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।”
স্ট্যাটাসের শেষে তিনি লেখেন, ‘শহীদের রক্তের সঙ্গে কোনো বেইমানি সহ্য করা হবে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।’
উল্লেখ, ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের সময় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন ৭৫ বছর বয়সী মো. সাহাবুদ্দিন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ থাকার কথা ছিল। শুক্রবার বিকেলে রাষ্ট্রপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিক পদত্যাগপত্র জমা দেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









