নাটোরের বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নয়াবাজার এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও গরুবাহী ইঞ্জিনচালিত ট্রলির মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৩ জন। আহতদের মধ্যে ১১ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন বড়াইগ্রাম উপজেলার লক্ষ্মীকোল এলাকার মৃত শের আলীর ছেলে আব্দুর রহমান (৭০) ও ধামানিয়াপাড়ার আক্কাস আলী (৫৮) ও তার ছোটভাই জাহাঙ্গীর হোসেন-৪৮। তারা ট্রলিতে থাকা গরু ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন।
সংঘর্ষে আব্দুর রহমান বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আক্কাস আলী ও রামেক হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যাওয়া অবস্থায় জাহাঙ্গীর হোসেনের মৃত্যু হয়।
বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, দুর্ঘটনার পর একজনের ডেডবডি ও ১০ জনকে আহত অবস্থায় বড়াইগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত আটজনকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে, আরও চারজন আহতকে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তিনজনকে রামেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানিয়েছেন টিএইচও।
হাইওয়ে পুলিশ জানায়, গরুবাহী ট্রলিটি সিরাজগঞ্জের চান্দাইকোনা গরুর হাটের দিকে যাচ্ছিল। বিপরীত দিক থেকে ঢাকা থেকে নাটোরগামী একটি যাত্রীবাহী বাস আসছিল। নয়াবাজার এলাকায় বাস-ট্রলি মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় ট্রলিতে থাকা দুটি গরুও আহত হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের হাতে মৃতদেহ হস্তান্তর ক হয়েছে বলে জানিয়েছে হাইওয়ে পুলিশ


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









