বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমাদের এই লংমার্চ কোনো দল বা কোনো ব্যক্তির খাহেশ পূরণের জন্য নয়। আমাদের লং মার্চ ১৮ কোটি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য।”
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-রংপুর লং মার্চে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী চৌরাস্তা এলাকায় পথসভায় বক্তব্যকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
গণঅভ্যুত্থানের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলে রাজপথে নামার প্রয়োজন হতো না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যদি গণঅভ্যুত্থানের গণরায় বাস্তবায়ন হতো, আমরা লং মার্চ করতাম না। যদি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হতো, আমরা লং মার্চে নামতাম না। দেশে যদি চাঁদাবাজি বন্ধ হতো, আমরা লং মার্চ করতাম না। দেশ থেকে যদি দুর্নীতি বিদায় নিত, আমরা লং মার্চ করতাম না।”
নিত্যদিনের জনদুর্ভোগের প্রসঙ্গ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমার মা চুলা ধরানোর জন্য যদি গ্যাস পেতো, আমরা লং মার্চ করতাম না। ঘরে ঘরে যদি বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন না হতো, আমরা লং মার্চ করতাম না। আমার কৃষক ভাইটি যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে ন্যায্য মূল্যের সার পেতো, আমরা লং মার্চ করতাম না।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির। ঘরে-বাইরে মানুষ যদি জীবনের নিরাপত্তা পেতেন, তাহলে লং মার্চের প্রয়োজন হতো না বলে মন্তব্য করেন তিনি।
লংমার্চের চূড়ান্ত গন্তব্য রংপুর উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘‘সেখানে জুলাই আন্দোলনের শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিবিজড়িত এলাকায় চূড়ান্ত জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।’’ রংপুরে বিপুলসংখ্যক মানুষ অপেক্ষা করছেন উল্লেখ করে তিনি তার বক্তব্য সংক্ষিপ্ত করেন।
পথসভা শেষে লংমার্চের গাড়িবহর ও অংশগ্রহণকারীরা রংপুরের উদ্দেশে পলাশবাড়ী ত্যাগ করেন। এ সময় পথসভাস্থল ও আশপাশের এলাকায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









