সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের মহিষখলা বাজারে সরকারি জায়গা দখল করে অবৈধভাবে ঘর নির্মাণের অভিযোগে বিএনপি নেতা হোসেন মিয়াসহ কয়েকজন ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনি রায়ের নির্দেশে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের কালিপুর গ্রামের বাসিন্দা ও ৮ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হোসেন মিয়া, একই গ্রামের লাল মিয়া, হোসেনপুর গ্রামের জামাল মিয়া, সাউদপাড়া গ্রামের নাসির মিয়া, বান্দ্রা গ্রামের সুজন মিয়া ও রংপুর গ্রামের ওয়াসিম মিয়া গত ১০ সেপ্টেম্বর থেকে মহিষখলা মধ্যবাজারের সরকারি জায়গায় ঘর নির্মাণ শুরু করেন।
বিষয়টি স্থানীয় সংবাদকর্মীদের নজরে এলে তিনি উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের নিষেধের পর দিনের বেলায় কাজ বন্ধ রেখে রাতের আঁধারে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাচ্ছিলেন তারা। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে তাদের আবারও নির্মাণকাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযুক্ত ব্যবসায়ী জামাল মিয়া বলেন, ঘর নির্মাণের জন্য তারা বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুক্তার হোসেনের অনুমতি নিয়েছিলেন। পরে মুক্তার হোসেনও তাদের ঘর নির্মাণ না করতে নিষেধ করেন।
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা হোসেন মিয়া বলেন, দখল অনুযায়ী সেখানে তার ৮ হাত জায়গা ছিল। সে অনুযায়ী তিনি ঘর নির্মাণ করছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিষেধ করার পর তিনি আর কাজ করেননি।
বংশীকুন্ডা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মুক্তার হোসেন বলেন, প্রশাসনের চাপের কারণে অভিযুক্তরা তার নাম বলছেন। তার কাছে কেউ ঘর নির্মাণের অনুমতি নেননি।
মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) জনি রায় বলেন, সরকারি জায়গায় অনুমোদন ছাড়া নির্মাণ করা স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে সরকারি জায়গা দখল করে কেউ অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









