সাতক্ষীরার শ্যামনগরে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসব।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার খোলপেটুয়া নদীতে প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে বসে দর্শনার্থীদের মিলনমেলা। শত শত নৌকা, ইঞ্জিনচালিত ট্রলারসহ বিভিন্ন নৌযানে করে মানুষ এ আয়োজনে অংশ নেন।
উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী, আটুলিয়া, পদ্মপুকুর ও গাবুরা ইউনিয়নের প্রতিমা খোলপেটুয়া নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। বাদ্যযন্ত্রের তালে নেচে-গেয়ে আনন্দ-উৎসবের মধ্য দিয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেন ভক্তরা। স্থানীয়দের কাছে দিনটি ঘিরে থাকে বিশেষ আগ্রহ।
এ উপলক্ষে নদীর তীরে দুর্গাবাটি এলাকায় মঞ্চ তৈরি করা হয়। সেখান থেকে মাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয় এবং অতিথিরা বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। দর্শনার্থী নিরঞ্জন জেয়ারদ্দার, প্রতিমা রানী, সাধন কুমার ও বিশ্বজিৎ বাপী বলেন, পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসবের শেষ দিনে খোলপেটুয়া নদীতে প্রতিমা বিসর্জন ঘিরে আনন্দমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
বিসর্জন উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। পুলিশ, বিজিবি, নৌপুলিশ ও গ্রাম পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নদীতে টহল দেন।
শ্যামনগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতারা জানান, শ্যামনগর, মুন্সিগঞ্জ, কৈখালী, রমজাননগর, কাশিমাড়ী ও ভুরুলিয়াসহ অন্যান্য ইউনিয়নের মণ্ডপগুলোতে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় পুকুর ও জলাশয়ে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।
এবার শ্যামনগর উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের ৭১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রশাসন জানায়, কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। মণ্ডপগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক, আনসার, থানা পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









