সিঁদুর খেলা, ঢাকের বাদ্য আর হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ণিল বিজয়া শোভাযাত্রা।
বুধবার (২১ অক্টোবর) বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় শারদীয় দুর্গোৎসব। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি দেবীকে বিদায়ের আবেগ আর মানুষের মিলনমেলায় ফুটে ওঠে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চিত্র।
দুপুরে মৌলভীবাজার সড়কে শ্রীশ্রী সার্বজনীন দুর্গাবাড়ীর সামনে থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। এতে প্রায় ৬০টি ট্রাকে প্রতিমা বহন করা হয়। শ্রীমঙ্গল শহর ও আশপাশের গ্রামাঞ্চল এবং বিভিন্ন চা-বাগানের পূজামণ্ডপ থেকে পূজারিরা প্রতিমা নিয়ে এতে অংশ নেন। শোভাযাত্রাটি চৌমুহনা, কলেজ রোড, গুহ রোড, ভানুগাছ রোড ও স্টেশন রোড প্রদক্ষিণ করে আবার চৌমুহনা হয়ে হবিগঞ্জ সড়কে জগন্নাথদেবের আখড়ার সামনে যায়। পরে প্রতিমাগুলো নিজ নিজ মণ্ডপে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। ঢাকের বাদ্য, প্রতিমার বর্ণিল সাজ আর মানুষের উচ্ছ্বাসে শহরের সড়কগুলো উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের আগে বিভিন্ন মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হয় দেবীবরণ ও সিঁদুর খেলা। বিবাহিত নারীরা দেবী দুর্গার চরণে সিঁদুর নিবেদন করেন। পরে একে অপরের সিঁথি ও কপালে সিঁদুর পরিয়ে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আনন্দের মধ্যেও দেবীকে বিদায়ের আবেগ ছুঁয়ে যায় পূজারিদের। বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে দুর্গাপূজা শুধু ধর্মীয় আচার নয়, ঘরের মেয়ের বাপের বাড়িতে আসা ও কয়েক দিনের আনন্দ শেষে ফিরে যাওয়ার আবেগঘন উপলক্ষও। সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সেই আবেগের প্রকাশ ঘটে।

বিজয়া শোভাযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ও সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। নিরাপত্তা তদারকিতে ড্রোনও ব্যবহার করা হয়। স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মজিবুর রহমান চৌধুরী এবং সিলেটের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
চা-বাগান, পাহাড়-টিলা ও বৈচিত্র্যময় জনপদের জন্য পরিচিত শ্রীমঙ্গলে বিভিন্ন ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সহাবস্থান দীর্ঘদিনের। বিজয়া শোভাযাত্রায় নানা শ্রেণি-পেশার


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









