শাড়ি প্রতারণার অভিযোগে করা মামলা নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। তিনি বলেছেন, দীর্ঘ ১২–১৪ বছরের ক্যারিয়ার গড়ে ২৭ হাজার টাকার একটি শাড়ির জন্য নিজের সুনাম নষ্ট করার প্রশ্নই ওঠে না।
গত বছরের নভেম্বরে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করা হয়। সেই মামলায় ১২ জুলাই ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।
সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন তিশা। তিনি জানান, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল বলেই এতদিন প্রকাশ্যে কিছু বলেননি।
তিশা বলেন, “আমি এই ইন্ডাস্ট্রিতে ১২–১৪ বছর কাজ করছি। ভালো-মন্দ মিলিয়ে কাজ করছি। আমার কাজের জায়গাটা কিন্তু আমি ধরে রেখেছি।”
তিনি অভিযোগ করেন, নতুন সিনেমার শুটিং শুরুর পরপরই আইনি নোটিশ ও মামলার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। তার ভাষায়, “কেউ যখন ওপরে উঠতে চায়, তখন কিছু মানুষ পেছন থেকে টেনে ধরতে চায়। আমারও ঠিক একই অনুভূতি হয়েছে।”
অভিনেত্রী আরও বলেন, “আমি ১৪ বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি একটা অনলাইন শপের ২৭ হাজার টাকার শাড়ি মেরে দেওয়ার জন্য? ২৭ হাজার টাকা মেরে দেওয়ার জন্য এত কষ্ট করে নিজেকে একটা জায়গায় দাঁড় করিয়েছি?”
তবে মামলার বাদীর অভিযোগে বলা হয়েছে, অনলাইনভিত্তিক ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নিয়ে সেটির প্রচারণা ও মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তানজিন তিশা। পরে তিনি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় পেজটির প্রশাসক আমিনুল ইসলাম প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা করেন।
মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন। ফলে অভিযোগের সত্যতা আদালতের কার্যক্রমের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









