দেশের ব্যান্ড সংগীতের দুই কিংবদন্তি শিল্পী নগরবাউল জেমস ও আইয়ুব বাচ্চু। ক্যারিয়ারের শুরুর দিক থেকেই একসঙ্গে পথচলা, কাজ ও সংগীতের নানা স্মৃতি ভাগ করে নিয়েছেন তারা। তবে ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুতে সেই বন্ধুত্বের অধ্যায়ে নেমে আসে স্থায়ী শূন্যতা।
প্রিয় বন্ধু ও দীর্ঘদিনের সহকর্মীকে হারানোর বেদনা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন জেমস। দীর্ঘ এক যুগ পর আগামী ১৬ আগস্ট ইতালির রাজধানী রোমে কনসার্ট করতে যাচ্ছেন এই রকস্টার। কাকতালীয়ভাবে একই দিনে আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন।
রোমের কনসার্ট উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে আইয়ুব বাচ্চুর প্রসঙ্গ। এ সময় বন্ধুকে হারানোর শূন্যতার কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন জেমস।
জেমস বলেন, ‘আমরা সবসময় একসঙ্গে কাজ করেছি। আমরা জোড়া ছিলাম। উনি চলে যাওয়ার পরে খুব একা লাগে। এরচেয়ে বেশি কিছু আর বলতে চাই না।’
কয়েকটি বাক্যেই যেন ফুটে ওঠে দুই কিংবদন্তি শিল্পীর দীর্ঘ বন্ধুত্ব ও পথচলার গল্প। দেশের ব্যান্ড সংগীতের গুরুত্বপূর্ণ দুই অধ্যায়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই দুই শিল্পী ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ছিলেন একে অপরের ঘনিষ্ঠ। আইয়ুব বাচ্চুর চলে যাওয়ার পর সেই পরিচিত জুটিতে নেমে আসে স্থায়ী শূন্যতা।
এদিকে দীর্ঘ বিরতির পর রোমে কনসার্ট করতে যাচ্ছেন জেমস। এক যুগ পর ইতালির এই শহরে ফিরতে পেরে উচ্ছ্বসিত তিনি। তবে কনসার্টের চেয়েও প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভালোবাসা ও উচ্ছ্বাস তাকে বেশি নাড়া দিয়েছে।
জেমস জানান, দেশের বাইরে থাকা বাংলাদেশিদের অকৃত্রিম ভালোবাসা ও সমর্থন শিল্পীদের জন্য সবসময়ই বড় অনুপ্রেরণা। বিদেশের মাটিতে থেকেও প্রবাসীরা যেভাবে বাংলা গান ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিজেদের যুক্ত রাখেন, তা শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করে।
রোমে বিপুলসংখ্যক বাঙালির উপস্থিতি দেখে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে জেমস বলেন, তার মনে হয়েছে তিনি যেন ইতালিতে নন, বাংলাদেশেরই কোনো একটি হোটেল কিংবা সংবাদ সম্মেলনে বসে আছেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









