টানা তিন ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করার পর চতুর্থ ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৮৭ রানে হেরে গেল ভারত।
শুধু তাই নয়, লজ্জা বাড়িয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারতের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসের রেকর্ড গড়লেন মিচেল স্যান্টনারেরা।
টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রেয়াস আইয়ার। অকল্যান্ডের ২২ গজে প্রথমে ব্যাট করার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ৭ উইকেটে ২৫৯ রান তোলে কিউয়িরা। এর আগে কোনও দল টি-টোয়েন্টিতে ভারতের বিরুদ্ধে এত রান করতে পারেনি।
নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের মূল নায়ক ফিলিপস। ৪৬ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন চারে নামা এই ব্যাটসম্যান। ৬টি চার এবং ১০টি ছয়ে ফিলিপস ৪৯ বলে ১০৭ রান করেন।
ফিলিপসের সঙ্গে ব্যাট হাতে ঝড় তুলেছেন মাইকেল ব্রেসওয়েলও। পঞ্চম উইকেটে এ দুজনের ১১৫ রানের জুটিতে ব্রেসওয়েল করেন ২৫ বলে ৬৫ রান। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা।
শেষ পর্যন্ত ফিলিপস–ব্রেসওয়েলের দুটি ইনিংসই নিউজিল্যান্ডের জয়ের পথ তৈরি করে দেয়।
ভারতের মায়াঙ্ক যাদব ৪৮ রানে ৩ উইকেট নেন। বাকিরা ১টি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ২৬০ রান তাড়া করতে নেমে ইনিংসের শুরু থেকেই ধারাবাহিক ব্যবধানে উইকেট হারাতে শুরু করে ভারত। প্রথম ওভারেই দুই উইকেট হারায় ভারত। দ্বিতীয় বলে সঞ্জু স্যামসন আর পঞ্চম বলে ঈষাণ কিষাণকে ফেরান জ্যাকব ডাফি।
এই ধাক্কা আর ম্যাচের পরের অংশে সামলে উঠতে পারেনি ভারত। উল্টো বড় লক্ষ্যের দিকে ছুটতে গিয়ে প্রথম ১০ ওভারের মধ্যেই পাঁচ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায়। সর্বোচ্চ ৩৫ রান আসে সাত নম্বরে নামা তিলক বর্মার ব্যাট থেকে।
নিউজিল্যান্ডের জেকব ডাফি ৪টি উইকেট, স্যান্টনার ও ম্যাথু ফিশার ২টি করে উইকেট নেন। এ ছাড়া ১টি উইকেট নেন অ্যাডাম মিলনে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ২৫৯/৭ (ফিলিপস ১০৭, ব্রেসওয়েল ৬৫, অ্যালেন ৩১; মায়াঙ্ক ৩/৪৮, আর্শদীপ ১/৩৮)।
ভারত: ২০ ওভারে ১৭২/৯ (তিলক ৩৫, ধীর ২৮, অভিষেক ২৭; ডাফি ৪/২৩, স্যান্টনার ২/২৪, ফিশার ২/৪০)।
ফল: নিউজিল্যান্ড ৮৭ রানে জয়ী। ম্যান অব দ্য ম্যাচ: গ্লেন ফিলিপস।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









