নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে সাত কিলোমিটার সড়কের ২৯টি অবৈধ স্পিডব্রেকার অপসারণ শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ। অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত এসব স্পিডব্রেকারের কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার কাঞ্চনের চান টেক্সটাইল থেকে ছোনপাড়া পর্যন্ত সড়কে এ অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিলেটগামী যানবাহনের বিকল্প বাইপাস হিসেবে ব্যবহৃত হয় সড়কটি। দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিতভাবে একের পর এক স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা হয়। এতে যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি বাড়ার পাশাপাশি দুর্ঘটনার আশঙ্কাও তৈরি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এসব স্পিডব্রেকারের কারণে বিশেষ করে ছোট ও নিচু যানবাহন চলাচলে বেশি সমস্যা হচ্ছিল। অনেক সময় স্পিডব্রেকারে গাড়ির নিচের অংশ আটকে ক্ষতিগ্রস্ত হতো। এ ছাড়া হঠাৎ গতি কমাতে গিয়ে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতো।
ভোলাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন টিটু বলেন, সড়কে দুর্ঘটনা ঘটতে দেখে স্থানীয়রা বিভিন্ন স্থানে স্পিডব্রেকার নির্মাণ করেছিলেন। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে এগুলো স্থাপন করায় যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি বেড়েছে। তিনি স্কুল-মাদ্রাসাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানের সামনে নিয়ম মেনে স্পিডব্রেকার নির্মাণের দাবি জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম আব্দুল্লাহ বিন শফিক বলেন, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সড়কটিতে ২৯ থেকে ৩১টি স্পিডব্রেকারের সন্ধান পাওয়া গেছে। এগুলোর কোনো বৈধতা নেই। তবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে যেখানে স্পিডব্রেকার প্রয়োজন, বিশেষ করে মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে, সেখানে নিয়ম মেনে স্পিডব্রেকার স্থাপনের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
অপসারণ কার্যক্রম চলাকালে ভোলাব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন টিটু, সহকারী পুলিশ সুপার মেহেদী ইসলামসহ উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।


সর্বশেষ খবর পেতে দৈনিক এদিন এর গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন









